যুক্তরাষ্ট্রে এপ্রিলে ভোক্তা আস্থায় রেকর্ড পতন

যুক্তরাষ্ট্রে চলতি মাসে ভোক্তা আস্থা সূচক ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।

ইরানের সঙ্গে সংঘাতের আবহে সাময়িক যুদ্ধবিরতি চললেও সাধারণ মানুষের মন থেকে আশঙ্কার মেঘ কাটছে না। মূলত জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্য ও নিত্যপণ্যের ক্রমবর্ধমান দামই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের আস্থাহীনতার মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান গত শুক্রবার নিয়মিত মাসিক জরিপ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্স।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপ্রিলে ভোক্তা আস্থা সূচক কমে ৪৯ দশমিক ৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ১৯৫২ সালে সূচক গণনা শুরু হওয়ার পর এটিই এ-যাবৎকালের সর্বনিম্ন রিডিং। মার্চে এ সূচকের অবস্থান ছিল ৫৩ দশমিক ৩ পয়েন্টে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে সব ধরনের মানুষের মধ্যেই হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকি যাদের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ রয়েছে, তারাও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত।

সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের বড় একটি অংশ জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির জন্য সরাসরি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দায়ী করছেন।

সার্ভে অব কনজিউমারসের পরিচালক জোয়ান হু জানান, ইরান যুদ্ধের প্রধান প্রভাব পড়ছে জ্বালানি তেলের দামের মাধ্যমে। যতক্ষণ না এ সরবরাহ সংকট কাটছে বা তেলের দাম কমছে, ততক্ষণ কূটনৈতিক আলোচনায় সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম।

এদিকে ভোক্তা আস্থা কমার পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা। সাধারণ মানুষ মনে করছে, আগামী এক বছরে মূল্যস্ফীতি ৪ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছতে পারে, যা গত মার্চে ছিল ৩ দশমিক ৮ শতাংশ।

আরও